প্রতিষ্ঠাতার বাণী
উম্মাহ আজ কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞানে পারদর্শী ও আল্লাহভীরু প্রজন্ম সংকটে ভুগছে। সেই সংকট ও শূন্যতাকে কাটিয়ে তুলতে কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সেই উদ্যোগটাই নিয়েছি। আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাদরাসাতুল ইনসাফ। আগামী প্রজন্মের ইলমিযাত্রা। যে ইলমি প্রজন্ম নিজেদের প্রস্তুত করবে জান্নাতমুখী পরিবার, শান্তিময় সমাজ ও শৃঙ্খল রাষ্ট্র গঠনের জন্য।
এখন আপনাদের এগিয়ে আসার পালা। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই বরকতময় প্রজেক্ট সফল হবে ইন শা’ আল্লাহ। মনে রাখবেন, এ প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়; বরং এটি উম্মাহর একটি আমানত।সুতরাং দেশে প্রবাসে অবস্থানরত কুরআন-সুন্নাহপ্রেমী ভাই-বোনদের প্রতি আহ্বান-আসুন, আমরা এই সাদকায়ে জারিয়ামূলক প্রজেক্টে অংশ নিয়ে নিজেদেরকে সেই সৌভাগ্যবানদের কাতারে শামিল করে নেই, যাদের আমলনামায় যুগ যুগ ধরে এর সাওয়াব প্রবাহিত হতে থাকবে- ইন শা’ আল্লাহ।ভাবুন, সিদ্ধান্ত নিন, কীভাবে আপনি এই বরকতময় প্রজেক্টে অংশ নিবেন! হয়তো জমি দিয়ে, হয়তো অর্থ দিয়ে, হয়তো পরামর্শ দিয়ে, নয়তো সহযোগিতার এই দাওয়াতি ম্যাসেজ অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েও অংশ নিতে পারেন আপনি।চলুন না! একসাথে গড়ি আগামী প্রজন্মের ইলমিযাত্রার ভূবন!
দয়াময় আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।
— মুফতি শাহাদাত সাদমান
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক
মাদরাসাতুল ইনসাফ, ঢাকা
মিশন ও ভিশন
ভিশন
কুরআন–সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞানে সজ্জিত, আল্লাহভীরু ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ন্যায়, ইনসাফ ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হবে।
মিশন
• কুরআন হিফজ, অনুধাবন ও প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জনে পারদর্শিতা নিশ্চিত করা।
• সময়োপযোগী জ্ঞান ও সৃজনশীলতার সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের যুগসচেতন ও বিচক্ষণ আলেম ও দা‘ঈ ইলাল্লাহ হিসেবে গড়ে তোলা।
• শিক্ষার্থীদেরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উম্মাহর সেবায় নিয়োজিত ও কার্যকরী মানুষ হিসেবে প্রস্তুত করা।
• কুরআন–সুন্নাহর গভীর জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের সাথে সংযুক্ত করে যুগোপযোগী দীনি নেতৃত্ব তৈরিতে নিবেদিত থাকা।